ভারতীয় জ্ঞান-পরম্পরাকে আধুনিক কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নিল ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টার…। 

ভারতীয় জ্ঞান-পরম্পরাকে আধুনিক কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নিল ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টার…। 

Spread the love

নিজস্ব প্রতিনিধি ; কলকাতা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬। ভারতীয় জ্ঞান-পরম্পরার বিস্তৃত ভাণ্ডারকে আধুনিক নেতৃত্ব, সাংগঠনিক বিকাশ এবং কর্মক্ষেত্রের কার্যকারিতার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নিল ভক্তিবেদান্ত রিসার্চ সেন্টার বা বি.আর.সি.। ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থা বা ইন্ডিয়ান নলেজ সিস্টেমস-এর গবেষণা ও পাণ্ডিত্যকে সমকালীন নেতৃত্ব এবং ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করতে ভিমেন্টর.এআই ও সারথি.এআই-এর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে বি.আর.সি.।

মুম্বইয়ের জুহুর ইস্কন মন্দিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক বা এম.ও.ইউ. স্বাক্ষরিত হয়। ভিমেন্টর.এআই-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মীনু ভাটিয়া ও ড. শ্রীনিবাস চুন্দুরু এবং বি.আর.সি.-র ট্রাস্টি শ্রী গৌরাঙ্গ দাস ও ড. সুমন্ত রুদ্র এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ভারতের প্রাচীন জ্ঞান-ঐতিহ্যে মানব আচরণ, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ, আত্মনিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘদিনের চিন্তাভাবনা রয়েছে। সেই জ্ঞানকে শুধুমাত্র ইতিহাস বা দর্শনের আলোচনায় সীমাবদ্ধ না রেখে বর্তমান কর্মক্ষেত্রে কীভাবে তার প্রাসঙ্গিকতা তৈরি করা যায়, তা খতিয়ে দেখাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

বি.আর.সি.-র ডিন ড. সুমন্ত রুদ্র বলেন, ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থা নিয়ে বি.আর.সি.-র গবেষণা ও জ্ঞানচর্চাকে ভিত্তি করে আধুনিক নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচি তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে ভারতীয় জ্ঞান-পরম্পরার গভীরতা ও স্বকীয়তা বজায় রাখার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সহযোগিতার আওতায় নেতৃত্ব বিকাশ, সাংগঠনিক সংস্কৃতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কর্মীদের কার্যকারিতা এবং সামনের সারির কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির মতো বিষয়ে কর্মসূচি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

ভিমেন্টর.এআই-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মীনু ভাটিয়া বলেন, ভারতের নিজস্ব বৌদ্ধিক ঐতিহ্য থেকে নেতৃত্ব, প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মদক্ষতা সম্পর্কে কী শিক্ষা পাওয়া যায়, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাই এই অংশীদারিত্বের অন্যতম উদ্দেশ্য।

বি.আর.সি.-র ট্রাস্টি শ্রী গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থায় মানব আচরণ, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, উদ্দেশ্য, শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিপুল জ্ঞানভাণ্ডার রয়েছে। আধুনিক সময়ে সেই জ্ঞানের প্রাসঙ্গিকতা অনুসন্ধানের পাশাপাশি তার গভীরতা ও স্বকীয়তা বজায় রাখাও জরুরি।

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বি.আর.সি.-র গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার সঙ্গে ভিমেন্টর.এআই-এর নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক রূপান্তরের অভিজ্ঞতা এবং সারথি.এআই-এর প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির পদ্ধতির সমন্বয় ঘটবে। এর ফলে ভারতীয় জ্ঞান-পরম্পরাকে আধুনিক কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *