চন্দন রুদ্র : কলকাতা, ১০ মে, ২০২৬। মাতৃ দিবস রোজই বলা যেতে পারে। ‘মা’ ডাকটা খুবই ছোট্ট একটা শব্দ। অথচ এই ছোট্ট একটি শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে হাজারটা অনুভূতি, অসংখ্য আবেগ আর গুচ্ছ গুচ্ছ ভালোবাসা।
আজ ১০ মে। চলতি মাসের দ্বিতীয় রবিবার। আজ বিশ্ব মাতৃ দিবস। অর্থাৎ হ্যাপি মাদার্স ডে। সকাল থেকেই সমাজমাধ্যমে বহু মানুষ এই দিনটিকে ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন। আসলে দুনিয়ার প্রতিটি মা-ই তাঁর সন্তানের প্রথম শিক্ষক। মায়ের অনুপ্রেরণাতেই একটি শিশু এক পা দু’পা ফেলে চলতে শেখে। টলমল পায়ে হাঁটতে গিয়ে কখনও সে পড়ে গেলে আবার সেই মায়ের হাতটি ধরেই উঠে দাঁড়ায়।
মায়ের বিকল্প তাই মা-ই। মায়ের কোনও বিকল্প হয় না। নিজের শত কষ্টও তিনি সন্তানকে বুঝতে দেন না। সন্তানের সাফল্যে তিনি যেমন হাসেন, তেমনি সন্তানের ব্যর্থতায় মুখ লুকিয়ে কাঁদেন। সমাজে প্রতিষ্ঠিত সন্তানটি মাকে বৃদ্ধাবাসে রেখে গেলেও সেই সন্তানের মঙ্গল কামনাই করেন মা। মায়েরা এমন-ই।
দীর্ঘদিন মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকি। তবু আজও দিনের শুরুতে প্রথম ফোনটা আসে মায়ের কাছ থেকেই। আসলে মায়েদের জন্য নির্দিষ্ট কোনও দিবস হয় না। প্রকৃত সন্তানের কাছে হ্যাপি মাদার্স ডে তো রোজই।
দুনিয়ার সব মায়েরা ভালো থাকুন। সব মায়েদের জন্য রইল আমার অফুরান শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

