পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ১৮তম অধিবেশনের মাননীয় স্পিকার সিএমএ রথীন্দ্র বসুকে দ্য ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়া-এর সদস্যপদ সার্টিফিকেট প্রদান করে সম্মানিত করা হলো
নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা / নয়াদিল্লি, ১১ জুন, ২০২৬: দ্য ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়া (আইসিএমএআই) ১০ জুন, ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ১৮তম অধিবেশনের মাননীয় স্পিকার সিএমএ রথীন্দ্র বসুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও সংবর্ধনা জানায়। অনুষ্ঠানে তাঁকে ইনস্টিটিউটের সদস্যপদ সার্টিফিকেট প্রদান করে সম্মানিত করা হয়। এই সম্মাননা তাঁর পেশাগত সাফল্য এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্সি পেশার প্রতি দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। একই সঙ্গে, ইনস্টিটিউটের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে এই অনুষ্ঠান একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে রইল।
অনুষ্ঠান চলাকালীন সিএমএ মনোজ কুমার আনন্দ, কাউন্সিল মেম্বার এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি (ড.) ডি.পি. নন্দী আনুষ্ঠানিকভাবে সিএমএ রথীন্দ্র বসুর হাতে দ্য ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়া (আইসিএমএআই)-এর সদস্যপদ সার্টিফিকেট তুলে দেন। জনসেবা, নেতৃত্ব এবং পেশাগত উৎকর্ষে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে ইনস্টিটিউটের অব্যাহত অঙ্গীকারই এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিএমএ মনোজ কুমার আনন্দ বলেন, “আইসিএমএআই বিশ্বাস করে যে কারিগরি দক্ষতা এবং জনসেবার প্রতি দায়বদ্ধতার সমন্বয়েই শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ইনস্টিটিউটে সিএমএ রথীন্দ্র বসুকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্ব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্সি পেশার মৌলিক মূল্যবোধ—সততা, দায়বদ্ধতা ও উৎকর্ষ—আরও সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করবে।”
অনুষ্ঠানটি আইসিএমএআই-এর সেই বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন, যার লক্ষ্য জনগুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত বিশিষ্ট সদস্যদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্সি সম্প্রদায়ের মাধ্যমে পেশাগত উৎকর্ষ, নৈতিক শাসনব্যবস্থা ও জাতি গঠনে কার্যকর অবদান রাখা। ইনস্টিটিউট মনে করে, পেশাগত দক্ষতা ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্বের সমন্বয় দেশের অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে; এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সেই অঙ্গীকারকেই পুনর্ব্যক্ত করেছে।

