নাজিয়া হাসান- এক স্বপ্নসুন্দরী, যাঁর একার জন্য আজও আমি পাকিস্তানকে একশো শতাংশ শত্রু ভাবতে পারি না….!

নাজিয়া হাসান- এক স্বপ্নসুন্দরী, যাঁর একার জন্য আজও আমি পাকিস্তানকে একশো শতাংশ শত্রু ভাবতে পারি না….!

Spread the love

প্রিয়রঞ্জন কাঁড়ার: কলকাতা, ১৩ আগস্ট, ২০২৫। এক স্বপ্নসুন্দরী, যাঁর একার জন্য আজও আমি পাকিস্তানকে একশো শতাংশ শত্রু ভাবতে পারি না! কণ্ঠে এক অশ্রুতপূর্ব মাদকতা নিয়ে নিতান্তই নাবালিকা বয়সে ধূমকেতুর মতো বলিউডে আত্মপ্রকাশ। শুধুমাত্র একটা “আপ জ্যায়সা কোই মেরি জিন্দেগি মে আয়ে” দিয়ে বলিউডি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা-জোগানের পুরনো সব সূত্র ও সমীকরণকে আরব সাগরের জলে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। ১৫ বছর বয়সে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, পরবর্তী ১০ বছরে পাঁচটি অ্যালবাম, যার মধ্যে অন্তত দুটি (ডিস্কো দিওয়ানে ও বুম বুম) মার কাটারি হিট। বিলেতে উচ্চশিক্ষা। মাত্র ২৬ বছর বয়সে ইউনিসেফের কালচারাল অ্যাফেয়ার্সের ব্র‍্যাণ্ড অ্যাম্বাসেডর। রূপকথার গল্পের থেকেও চোখ ধাঁধানো একটা স্বপ্নের উড়ান। কিন্তু ধূমকেতুদের পরমায়ু ক্ষীণ হয়। জীবনে অনেক প্রেজুডিসকে ভেঙে দিলেও এটাকে ভাঙতে পারেননি নাজিয়া হাসান। প্রথমে একটি অসফল বিবাহ এবং সেই সূত্রেই পেশাদারি সংগীত জগৎ থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন। এরপর সারি দিয়ে দুর্ভাগ্যের এক ভয়ংকর পদাতিক মিছিল। মানসিক অবসাদ। ডিম্বাশয়ে ক্যানসার ও ফুসফুসে মেটাস্টাসিস। মৃত্যুর মাত্র দশ দিন আগে অভিশপ্ত সম্পর্ক থেকে আইনি বিচ্ছেদ। জীবনের শেষ কয়েকটা দিন সর্বশক্তিমান যেন তাঁকে রোগজীর্ণ ফুসফুসে স্বাধীন শ্বাস নেওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। মৃত্যুবার্ষিকীতে পাক নাইটিঙ্গেল নাজিয়া হাসানকে (০৩/০৪/১৯৬৫ — ১৩/০৮/২০০০) সশ্রদ্ধ স্মরণ…।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *