নিজস্ব প্রতিবেদক : কলকাতা, ৭ এপ্রিল, ২০২৬। বর্তমান প্রজন্ম সম্পর্কের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় অনেক বেশি সচেতন। টক্সিক সম্পর্ক মেনে নেওয়ার পরিবর্তে তারা একাকীত্বকেই নিরাপদ মনে করছে। ফলে “মানিয়ে নেওয়া”র পুরনো ধারণা থেকে সরে এসে অনেকেই দ্রুত বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ ব্যক্তিগত ইগো এবং আত্মসম্মানের বোধ। সামান্য অমিল বা ভুল বোঝাবুঝিও অনেক সময় বড় হয়ে ওঠে, বিশেষ করে যখন তৃতীয় পক্ষের প্ররোচনা যুক্ত হয়। এতে সম্পর্কের জায়গায় অহংকার প্রাধান্য পায়।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, সব সম্পর্ক ভাঙার জন্য নয়—বরং সংলাপ, সহমর্মিতা এবং সময় দিলে অনেক জটিলতারই সমাধান সম্ভব।
এই প্রেক্ষাপটে লাল মাটি প্রকাশন থেকে প্রকাশিতব্য সূর্যের লেখা ‘পশমিনা’ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বইটির নামকরণ করেছেন অভিনেতা কৌশিক সেন। পাশাপাশি গল্পের বিভিন্ন জায়গায় লেখককে সহায়তা করেছেন মনোবিজ্ঞানী ডঃ মণিদীপা ব্যানার্জী, যা বইটিকে আরও বাস্তবসম্মত ও মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা দিয়েছে।
‘পশমিনা’ কেবল একটি উপন্যাস নয়, এটি বর্তমান সমাজের প্রতিচ্ছবি—যেখানে ভালোবাসা ও বোঝাপড়াই হতে পারে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মূল চাবিকাঠি।

