রণজিত দাস : কলকাতা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬। ১৩৫তম ডুরান্ড কাপে চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে, ফাইনালে কলকাতা ডার্বিতে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে ৪-১ গোলে পরাস্ত করে আইএসএলের পর ডুরান্ড কাপও ঘরে তুললো লাল-হলুদ শিবির। একই সঙ্গে ডুরান্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে হারের প্রতিশোধও তুলে নিল তারা।
ম্যাচে বিজয়ী দলের পক্ষে প্রথম গোলটি করেন বিপিন সিং (১০’) ও তারপর হ্যাটট্রিক করেন এডমুন্ড লালরিনডিকা (১২’, ২২’, ৪৪’)। অপরদিকে মোহনবাগানের একমাত্র গোলদাতা মনবীর সিং (৩৩’)। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।
এই হ্যাটট্রিকের সঙ্গেই ডার্বির ইতিহাসে নতুন নাম লেখালেন এডমুন্ড। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করে তিনি স্পর্শ করলেন বাইচুং ভুটিয়ার ২৮ বছরের পুরনো রেকর্ড। ১৯৯৭ সালে ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৪-১ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন বাইচুং। আজ ২৮ বছর পর একই ফলাফলে, একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ফাইনালে হ্যাটট্রিক করলেন এডমুন্ড। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ডুরান্ড ডার্বি ফাইনালে হ্যাটট্রিকের নজিরও গড়লেন তিনি।
এর আগে উদ্বোধনী ম্যাচে জয় পেলেও মোহনবাগানের খেলায় আত্মবিশ্বাস ধরা পড়েনি। পক্ষান্তরে ইস্টবেঙ্গল দলগত ফুটবলের দুরন্ত নমুনা দেখালো।
ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের মগজাস্ত্র খেলার শুরুতেই মাঠের বাইরে করে দিলো তাঁর পুরোনো দলকে। ২৩ মিনিটের মধ্যে তাঁর দল ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়, যেখান থেকে মোহনবাগান আর খেলায় ফিরতে পারেনি।
বিরতিতে ৪-১ ফলাফলেই শেষ পর্যন্ত ২২ বছর পর ১৩৫তম ডুরান্ড কাপ ঘরে তুললো ইস্টবেঙ্গল। একই সঙ্গে ১৭তম বার ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়ে মোহনবাগানকে ধরে ফেললো লাল-হলুদ। এই পারফরম্যান্সের সুবাদেই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন এডমুন্ড।

