আরশিনগর শিল্পগ্রাম……।

আরশিনগর শিল্পগ্রাম……।

প্রদীপ ভট্টাচার্য : কলকাতা, ১ আগস্ট, ২০২৫। কলকাতা থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে বাওয়ালি রাজবাড়ী কাছে
আরশিনগর রিসর্ট এর অবস্থান । আমরা
বন্ধুরা মিলে এই জায়গার সন্ধান পেয়ে পৌঁছে গেলাম। সুন্দর বৃষ্টিস্নাত সকালে বেড়িয়ে পড়লাম স্বর্গীয় উদ্যান। তারাতলা থেকে বেশ কাছে সাতগাছিয়া গ্রাম হয়ে চরিয়াল থেকে ৪ কিঃমিঃ দূরে। এটা বাওয়ালি রাজবাড়ীর একটা খামার হাউস।
নির্জন পরিবেশে , সবুজের সমারোহ যেন প্রকৃতি আপন
হাতে আসন সাজিয়ে রেখছে।কাছে কোনো জনবসতি নেই,
নির্জন নিরালা পরিবেশ।পাখির ডাক ও ঝড়া পাতার আওয়াজ পেলাম।
মাটির বাড়ি, কাঠের বাড়ী (লগ হাউস) দারুন সাজানো সুন্দর। আগে থেকেই থাকার ইচ্ছা ছিল অগ্রিম বুকিং করেছিলাম পেয়ে গেলাম কাঙ্খিত ঘর। এখানে অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষবাস হয়। ক্ষেতের ফসল আর পুকুরের মাছ আমাদের খাদ্য তালিকায় ছিল। কথিত আছে লালন ফকির রেখেছিলেন আরশিনগর কুষ্টিয়া জেলা একটি গ্রামের নাম।
আরসী শব্দের অর্থ আয়না। নিজের আত্মবিশ্লেষণ ও আত্যনিরীক্ষণ। আতিথিয়তা এবং এখানকার মানুষের প্রাণ ভরানো হাসি। সবকিছুর মধ্যেই আছে প্রকৃতির ছোঁয়া।
আমাদের ফুড প্যাকেজ ছিল ১৮ রকম আইটেম সাথে
চিংড়ি, কাতলা মাছ ভেটকি মাছ, মাটন। জামাই আদর করে খাওয়ালো। মিষ্টি ছিল চার রকমের। মাটন ছাড়া সবই অর্গানিক। সন্ধ্যার পরিবেশ দ্বীপ জেলে দিয়ে যাই।
স্ন্যাকস ও চা দিয়ে গেল সাথে পাকোড়া।
সন্ধ্যা নামার আগে কয়েক একর জমিতে আলু, ঢেঁড়স এবংশাক সবজি চাষ। পুকুর পাড়ে বহু সময় বসে থাকা যায়।
গ্রাম্য পরিবেশে সবুজের সমারোহ আছি কতো রকমের গাছ না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। ওই আসনতলে মাটির পড়ে..
রাত্রি বন্ধুরা মিলে গানবাজনা আবৃত্তি করলাম খুব ভালো লাগলো। সময় চলে চলে এল গেলাম ঘুমের দেশে, ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে চা খেতে খেতে বাগানে ঘোরা, মনে হল নন্দন কানন এসেছি।
একটু বিশ্রাম  নিয়ে কমপ্লিমেন্টারি জলযোগ করে
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বেরিয়ে পড়লাম বাড়ির দিকে।

এখানে ফুডিং এন্ড লজিং ১৭৯৯/- এই বিশেষ ছাড় চলবে  আগস্ট মাস পর্যন্ত

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *