ধর্মেন্দ্র চলে গেলেন মৃতদেহ সৎকারের এত তাড়াহুড়ো কেন….. ?

ধর্মেন্দ্র চলে গেলেন মৃতদেহ সৎকারের এত তাড়াহুড়ো কেন….. ?

নিগমানন্দ ঠাকুর : মুম্বাই, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫। ধর্মেন্দ্র চলে গেলেন । বিগত কয়েকদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন । ধর্মেন্দ্র’র অসুস্থতা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন তাঁর পরিবার, আত্মীয়স্বজন থেকে শুরু করে অসংখ্য গুনমুগ্ধ ভক্ত । আজ সোমবার ২৪ নভেম্বর তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর পরিবারের সদস্যরা এটা কি করলেন ? হঠাৎ করেই একটা অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হলো শ্মশানে । কেন ? অ্যাম্বুলেন্সে তো অসুস্থ রোগীরা যায় আর মরদেহ যায় শববাহী গাড়ীতে । তাহলে অ্যাম্বুলেন্সে ধর্মেন্দ্র’র মরদেহ নিয়ে যাওয়ার কারণ লোকচক্ষুকে ফাঁকি দেওয়া ? অসংখ্য গুনমুগ্ধ ভক্তদের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর কোন সুযোগ কেন দিল না ধর্মেন্দ্র’র পরিবারের মানুষেরা । তিনি তো সাধারণ কোন মানুষ নন । তিনি ভারতীয় সিনেমার সুপারস্টার । তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সন্মান জানানো যেত । মুম্বাই শহরের কোন একটা জায়গায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাঁর মরদেহ রেখে তাঁর গুণমুগ্ধদের তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ করে দিলে কি এমন সমস্যা হত ? দু’একটা ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকলেও ভারতের প্রতিটা রাজ্যের বড় শহরে তারকাদের মৃত্যুতে এটাই হয়ে থাকে । ধর্মেন্দ্র’র পরিবারকে মনে রাখতে হবে দেশের সাধারণ মানুষ এবং গুণমুগ্ধ ভক্তরাই তাঁকে তারকা বানিয়েছেন । ধর্মেন্দ্র চিরকালের মতো বিদায় নিলেন । তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগটুকু কেড়ে নিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা ভালো করলেন কি ? তাঁর মরদেহ নিয়ে এত দ্রুততার সঙ্গে সৎকার করা খুবই জরুরী ছিল ? ইতিমধ্যেই এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *